ইন্ডিয়ান ভিসা পেতে কতদিন লাগে-ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা ও টুরিস্ট ভিসা

ইন্ডিয়ান ভিসা পেতে কতদিন লাগে-ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা ও টুরিস্ট ভিসা ,ইন্ডিয়ান ভিসা পেতে কতদিন লাগে ইন্ডিয়ান ভিসা পাওয়ার জন্য সময় লাগে 7 থেকে 14 দি

    বিসমিল্লাহ রহমান রাহিম ইন্ডিয়ান ভিসা কত সময় লাগে সর্বোচ্চ 7 থেকে 14 দিন অনেক সময় তিন থেকে 7 দিনের মধ্যে পাওয়া যায়। এটা নির্ভর করে ভিসার কাজের উপর।  টুরিস ভিসা পেতে আসলে বেশি সময় লাগেনা। বিস্তারিত নিম্নে দেখুন-

    অন্য অন্য বিষয়

    ব্যাংক চেক লেখার নিয়ম জানতে ক্লিক ককরুন

    কোন দেশে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া সহজ জানতে ক্লিক করুন

    আয়ারল্যান্ড কাজের ভিসা জানতে ক্লিক করুন


    ইন্ডিয়ান ভিসা পেতে কতদিন লাগে-ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা ও টুরিস্ট ভিসা


    ইন্ডিয়ান ভিসা পেতে কতদিন লাগে

    ইন্ডিয়ান ভিসা পাওয়ার জন্য সময় লাগে 7 থেকে 14 দিন  এবং  কম সময় লাগে তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে পাওয়া যায়  ইন্ডিয়ান ভিসা ইমারজেন্সি ক্ষেত্রে । নিম্নে আলোচনা করব ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা কিভাবে আমরা তিন দিনের মধ্যে পেতে পারি সেই বিষয়ে আপনারা দেখতে থাকুন-

    ন্ডিয়ান ভিসা পাওয়ার জন্য বর্তমানে ইন্ডিয়ান সরকার কি কি আপডেট এসেছে এবং কোথায় তথ্য গুলো জমা দিতে হয় তা আমি নিম্নে আলোচনা করব দেখুন আপনারা-

    তো বন্ধুরা সর্বপ্রথম বলে রাখি ইন্ডিয়ান ভিসা পাওয়া বর্তমানে খুবই সহজ।প্রথমে প্রথমে বলে নেই ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা পেতে কি কি লাগবে। 

    ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা জন্য সময় লাগে আমরা যে টুরিস্ট ভিসা পেয়ে থাকি ঠিক   সে ডকুমেন্ট গুলি লাগে।এবং এর সাথে লাগবে আপনি বাংলাদেশের যে ডক্টর দেখাইছেন সে ডক্টরের পেপার যে রিপোর্টগুলো আপনি ডাক্তারের কাছ থেকে পেয়েছে সেগুলো। এবং লাগবে ইন্ডিয়ান ডক্টর  কাছ থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার যে ডাক্তার দেখাবেন সেই ডাক্তারের।

    কিছু বর্ণনা করেন নে এখানে প্রথমত ইন্ডিয়াতে টুরিস্ট ভিসায় যাওয়ার জন্য যে ডকুমেন্টগুলো লাগে সেগুলোর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি  পেয়ে যাবেন ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা।

    ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসা ও টুরিস্ট ভিসা

    *আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড লাগবে,যদি আপনার বয়স 18 হয় তাহলে বার্থ/birth সার্টিফিকেট লাগবে মানে আপনার জন্ম নিবন্ধন।

    * দ্বিতীয়তঃ লাগবে আপনি যে বাসায় থাকেন সেই বাসার ইউটোলিবিল, ইউটোলিবিল বিলের মধ্যে থাকতে পারে  পানির বিল, গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল ,  ডিস বিল, ওয়াইফাই বিল,টেলিফোন বিল ইত্যাদি । এসব বিলের  যেকোনো একটি বিলের ফটোকপি বা অরিজিনাল কপি।

    * এরপর লাগবে আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা আপনি যে পাসপোর্ট করেছেন সে পাসপোর্টে 150 ডলার  প্রবেশ করান তাহলেও চলবে।ব্যাংক স্টেটমেন্ট করাটাই ভালো এটাই উত্তম।ব্যাংক স্টেটমেন্ট হতে হবে লাস্ট ছয় মাসের।

    ছয় মাসের মধ্যে যদি আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি থাকে তাহলে আপনি যেটি জমা দিতে পারবেন।সবচেয়ে ভালো হয় রিসেন্ট ব্যাংক স্টেটমেন্ট অলা ফলো করে রিসেন্ট ব্যাংক স্টেটমেন্ট।

    যদি পারেন একটি ব্যাংক রিসেন্ট স্টেটমেন্ট হতে পারে সেটি 1 মাস আগে বা 7 দিন আগে ব্যাংক স্টেটমেন্ট উঠান তাহলে সেক্ষেত্রে ভালো হয়। আমি আপনাকে সাজেস্ট করব যখন আপনি  ভিসা প্রসেসিং শুরু হবে তখনই একটা ব্যাংক স্টেটমেন্ট তুলে নেবেন।

    ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর পরে যেটা লাগবে সেটা হলো আপনি যদি স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন।তাহলে আপনি দিবেন স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের কপি, আপনি যদি জব হোল্ডার হয়ে তাথাকেন তাহলে তাহলে আপনার এনওরসি সার্টিফিকেট লাগবে। এনওরসি সার্টিফিকেট হচ্ছে যে আপনি জব করেন তা ক্লিয়ার নাকি।

    যারা বিজনেসম্যান তাদের জন্য প্রয়োজন তাদের যে ট্রেড লাইসেন্স আছে । বা ব্যবসায়ি আপনার যে নথি নামা থাকে সেটি দিয়ে হবে। আপনার দোকানের কাগজপত্র যেকোনো একটি ফটো কাপি দিলেই হবে।

     এরপর লাগবে সেটি হল এক কপি ছবি ।ছবি কিন্তু পাসপোর্ট সাইজের নয় এ সাইজের হচ্ছে  টু বাই টু  ।অর্থাৎ 2 ইঞ্চি   বাই 2 ইঞ্চি।এবং ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড অবশ্যই   সাদা হতে হবে।

    এরপর লাগবে আপনার পাসপোর্ট আছে  সেই পাসপোর্ট এর ফটোকপি।   অর্থাৎ   পাসপোর্ট  ফটোকপি লাগে যে আপনার যেখানে  বায়ডাটা আছে সেখানকার ফটোকপি।

    টুরিস্ট ভিসা 6 টি ডকুমেন্ট লাগে সেটি হল 1. ন্যাশনাল আইডি কার্ড , 2.ইউরিটি বিল ,3.ব্যাংক স্টেটমেন্ট ,4.প্রফেশনাল- স্টুডেন্ট হলে স্টুডেন্ট, বিজনেসম্যান হলে বিজনেসম্যান,জব হোল্ডার হলে  জব ফোল্ডারের প্রমানপত্র এক কপি ফটোকপি।5.পাসপোর্ট এর ফটোকপি  6.এরপর এক কপি ছবি 2 বাই 2.

    এই 6 টি ডকুমেন্ট আপনার ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন এর সাথে যোগ করে দিতে হবে।ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টার আছে সেখানে জমা দিতে হবে বর্তমানে ঢাকার ভিতরে যমুনা ফিউচার পার্কে জমা দিলেই হবে।

    এখন কথা হচ্ছে আপনারা অ্যাপ্লিকেশন  ফর্ম কোথায়  পাবেন । অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পারবেন ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টার ওয়েবসাইট রয়েছে। ওয়েবসাইটের বাঁদিকে আপনি  ফর্ম পেয়ে যাবেন ।

    অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম কি ডাউনলোড করে আপনার মত ফরমটি পূরন করে।এ ফরমটি কোন কম্পিউটার দোকান থেকে প্রিন্ট করে বা আপনার যদি কম্পিউটার থাকে সেখান থেকে প্রিন্ট করে নেবেন ।

    এরপর যে উপরের 6 টি ডকুমেন্টে রয়েছে সে ডকুমেন্টগুলো যোগ করে জমা দিয়ে দিবেন।অর্থাৎ এম্বাসিতে জমা দিয়ে দিবেন বা যমুনা ফিউচার পার্ক। এ হলো আপনার  টুরিস্ট ভিসার কমপ্লিট ।এই টুরিস্ট ভিসা 6 কর্মদিবসের মধ্যে পাবেন।

    এখন কথা বলি মেডিকেল ভিসার আগেই বলেছি যে টুরিস্ট ভিসা আর মেডিকেল ভিসার ডকুমেন্টগুলো একই এখানে শুধু আপনাকে যোগ করতে হবে মেডিকেল সার্টিফিকেট।

    প্রশ্ন মেডিকেল পেশার জন্য কি লাগবে এর জন্য সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আপনাকে একটি ডাক্তার দেখাতে হবে। উদাহরণ হিসেবে আপনার যদি মাথায় সমস্যা হয় তাহলে মাথার ডাক্তার কে দেখাবেন।মাথার সমস্যা নিয়ে সে ডাক্তারঃ আপনার একটি প্রেসক্রিপশন লিখবে।

    প্রেসক্রিপশনে হয়তো ডাক্তার কিছু ওষুধ লিখতে পারে।  অথবা কিছু টেস্ট দিতে পারে এটাই মূলত এটাই কিন্তু আপনার ডকুমেন্ট । এই প্রেসক্রিপশনে সে যদি রেফার করে দেয় যে   হ্যাঁ তার কলকাতা বা ইন্ডিয়া যাওয়া উচিত । যদি ডাক্তারকে বলেন আপনি ইন্ডিয়া যাওয়ার জন্য  রেফার করে দেন তাহলে সে রেফার করে দিব সমস্যা নেই।

    অথবা ডাক্তার যদি রেফার নাও করে তাহলে আপনার কোন সমস্যা হবে না।যদি আপনি বাংলাদেশের ডাক্তার কে না ও বলেন যে আমি ইন্ডিয়ায় আরো ভালো চিকিৎসা করতে চাই তাহলে চলবে।বললে ভাল হয় তিনি রেফার করে দিল। যদি না বলেন তাহলে ভিসা পেতে কোন সমস্যা হবে না।

    ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লিখে দেবেও টেস্ট লিখে দেবেন তো সেটি আপনার ডকুমেন্ট।বাংলাদেশের যদি প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য কোন ঔষধ বা টেস্ট করে থাকেন এবং প্রেসক্রিপশন এর ফটোকপি দিয়ে দিবেন। এই ডকুমেন্টগুলো কিন্তু প্রিন্টের হতে হবে। তো এখন বাংলাদেশের ডাক্তারের কাজ শেষ।

    এখন হচ্ছে ইন্ডিয়ার ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট অবশ্যই আপনার যে ইন্ডিয়ার  ডাক্তার কে দেখাতে যাচ্ছেন তার অ্যাপার্টমেন্ট লাগবে।অ্যাপয়েনমেন্ট নেওয়ার জন্য মেইল মাধ্যম বা ডক্টরের যে যোগাযোগ মাধ্যম রয়েছে সে মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে।

    তোর ভিসার কাজ শেষে  হয়ে গেলে ধরুন আজকে এক তারিখ তো আপনি ইন্ডিয়ান ডাক্তার কে জানালে সে আপনাকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার দিয়ে দিবে।ইন্ডিয়ান ডাক্তার আপনার কাছ থেকে আপনার পাসপোর্ট এর বিজিডি নাম্বার নিয়ে নিবে ।

    এবং আপনার যে ইনফর্মেশন পার্মানেন্ট এড্রেস ।ওরা বাবার নাম বা মা এর নাম এগুলো চাবে এগুলো  অ্যাপয়েন্টমেন্ট উল্লেক করে  দিবে।এরপর আপনার  মেইলে তারা  অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার পাঠিয়ে দিবেন।

    কিছু ডাক্তার এপয়েন্টমেন্ট যাবত 1000 টাকা রেখে দেয়।পরবর্তী সময়ে যখন চিকিৎসার সময় যে টাকা খরচ হবে  সে টাকা থেকে অ্যাপার্টমেন্ট   নেওয়ার সময় যে টাকা নিয়েছিল সে টাকাটি বাদ দিয়ে দিবে।

    টাকাটা নেওয়ার অর্থ হচ্ছে আপনার যদি ডুবলিকেট হন বা  না জান যদি আপনি মজা করেন এর জন্য।এর জন্য তারা আগে থেকেই কিছু টাকা রেখে যায়।ওরা পরীক্ষা করে যে আপনি কতটুকু গুরুত্ব দেন বা কতটুকু সত্য সেজন্য।

    ডাক্তার আছেন রয়েছে যারা অ্যাপয়েনমেন্ট নেওয়ার সময় 1000 া 2000 টাকা রেখে দেয় অনেক আবার   রয়েছে যারা অ্যাপার্টমেন্ট লেটার এর জন্য  কোন টাকা রাখে না। এটা মূলত ডাক্তারদের পলিসি।

    অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেয়ে গেলে তার ফটোকপি এবং বাংলাদেশের ডাক্তার কে দেখালে প্রেসক্রিপশন। others অন্য কোন ডকুমেন্ট থাকে যেমন টেস্ট এর ডকুমেন্ট যে ডকুমেন্টগুলো আপনার কাছে থাকবে সেগুলো ফটোকপি করে যোগ করে দিয়ে দিবেন।

    এখন কিন্তু মেডিকেল ভিসার জন্য তৈরি হয়ে গেল আপনার ডকুমেন্টগুলো।এখন কিন্তু আপনার টুরিস্ট ভিসার ডকুমেন্টারিটি এবং মেডিকেল ভিসার জন্য ডকুমেন্ট তৈরি।

    টুরিস্ট এবং মেডিকেল এর জন্য যে ডকুমেন্টগুলো রয়েছে   তার সাথে ভিসার জন্য যে অ্যাপ্লিকেশন পেপার তা ডাউনলোড  কি করে  এটাস্ট করে জামা দিয়ে দিন । আপনি যদি ঢাকা হয়ে থাকেন তাহলে যমুনা ফিউচার পার্কে জমা দিয়ে দিবেন কারণ এটি শুধু যমুনা ফিউচার পার্কে রয়েছে ঢাকার মধ্যে।

    যমুনা ফিউচার পার্কে হওয়ার কারণে অনেক ভালো হয়েছে  আগে অনেক দালাল ধরতে হতো নানা ধরনের ঝামের ছিল।  

    আপনার ডকুমেন্টগুলো জমা দেওয়ার আগে সেখানে কিছু টাকা জমা দিতে হবে সেটি হচ্ছে  ৮00 টাকা  । টুরিস বা মেডিকেল ভিসা জন্য একই সামান । ভিসা ফ্রি বাবত ৮00 টাকা দিতে হয় । এটি সরকারি খাতে জমা হয়। 

    ডকুমেন্ট জমা দেওয়ার সময় আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারে।অনেকে আছে অন্যজন দিয়ে পাহাড় ডকুমেন্টগুলো পূরণ করেন এবং কি ব্যাংক স্টেটমেন্ট পূরণ করে না যার কারণে আপনার ডকুমেন্ট কিনা সেটা যাচাই করবে তো আপনি যে ডকুমেন্টগুলো দিবেন সে সম্পর্কে আপনার সম্পূর্ণ ধারণা থাকা চাই।

    আরেকটি কথা ধরুন আপনি পেয়েছেন তো আপনার সাথে আপনাকে দেখাশোনা করার জন্য একজন বা ম্যাক্সিমাম তিনজন যেতে পারবে। 

    এর জন্য আপনাকে যে কাজটি করতে হবে যেখান থেকে ফরম পূরণ করেছেন সেখানে পেশেন্ট অ্যাটেনডেন্স নামে একটি ফ্রম রয়েছে।আপনি যাদের নিয়ে যেতে চাচ্ছেন বা যারা যেতে চাচ্ছে তাদের নাম সেই ফার্মে উল্লেখ করে দিতে হবে।

    সে শুধু আপনার সাথে যাবে তার জন্য আগে থেকে টুরিস্ট ভিসা বা মেডিকেল ভিসা করা থাকে তাহলে কোন সমস্যা নেই শুধু আপনার পেশেন্ট এটেনডেন্ট   এ ফার্মের নাম যোগ করে দিতে হবে।

      মেডিকেল ভিসা সাধারণত ইমারজেন্সি হয়ে থাকে এর জন্য আপনার সময় লাগতে পারে দুই থেকে পাঁচ দিন এর মধ্যেই আপনি ভিসা পেয়ে যাবেন ভিসার কাজ শেষ হলে আপনি আপনার মোবাইলে এসএমএস পাবেন।

    আশা করি আপনারা ইন্ডিয়া ভিসা পেতে কতদিন সময় লাগে সে সম্পর্কে জানতে পেরেছেন এবং ইন্ডিয়া মেডিকেল ভিসার টুরিস্ট ভিসা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

    আমি প্রতিনিয়ত এই ওয়েবসাইটে নানা ধরনের তথ্যমূলক পোস্ট করে থাকি পোস্টগুলো দেখার জন্য আপনারা আমার এই ওয়েবসাইটের সঙ্গে থাকুন এবং এই ওয়েবসাইটে আরো পোস্ট হয়েছে সেগুলো আপনারা দেখতে পারেন যা আপনাদের উপকারে আসবে ।

    LikeYourComment